Featured post

প্রাপ্তি

♥️ প্রাপ্তির খাতায় জমে থাকা কিছু মুহূর্ত  ♥️ ★ তাৎক্ষণিক বক্তৃতা, তৃতীয়, পুরন্দরপুর উচ্চ বিদ্যালয়, দাতা— শোভা মন্ডল, তাপাইপু...

Showing posts with label কবিতা. Show all posts
Showing posts with label কবিতা. Show all posts

দিগন্ত


কবিতা ক্লাব ফেসবুক পেজে প্রকাশিত 
দিগন্ত 👈 ক্লিক করুন 

সংগ্ৰাম

যাদের ঘামে জ্বলে ওঠে, আলোকিত এই পথ,
তাদের চোখে জমে থাকে, বঞ্চনারই রথ।
কারখানার লৌহ দ্বারে, কঠোর শাসন বাজে,
ন্যায্য কথা উচ্চারিলে ,ভয়ই সামনে সাজে।
যন্ত্রযুগের এই সময়ে, মানুষ যেন ক্ষীণ,
লাভের কাছে প্রতিদিনই, হারায় শ্রমের ঋণ।
কোথাও আবার দুর্ঘটনায়, ঝরে তাজা প্রাণ,
সংবাদ হয়ে মিলিয়ে যায়, কত অজানা নাম।
তবু তারা থামে না কভু, থামে না কর্মগান,
তাদের ঘামেই বেঁচে থাকে, সভ্যতার সম্মান।
ধনীর ঘরে আলো জ্বলে, শ্রমিকেরই শ্বাসে,
শ্রমিক তবু অন্ধকারে, আজও বাঁচে দীর্ঘ হতাশে।
শ্রমের ঘামে লেখা হোক, মানবতার জয়,
শ্রমিকেরই হাসির ভেতর, ভবিষ্যতের পরিচয়।
মে দিবসের এই প্রহরে, উঠুক সবার বাণী,
শ্রমিকেরই সম্মানেতে জাগুক, মানব-জয়ধ্বনি।

আমি বাংলা

আমি বাংলা,আমি ভাষা
আমি গর্ব, আত্মবিশ্বাস
রক্তে লেখা আমার পরিচয় 
আমি মাটির বিশুদ্ধ শ্বাস।

তোমরা  জানো কে  আমি ?
আমিই  জনগণমনের  সুর 
আমিই স্কুলের প্রথম পাঠ 
আমার অবস্থান হৃদয়পুর।

আমার ভাষায় গান বেজে যায় 
 আহা ! জাতীয় গর্ব মিলেমিশে
আমার নামেই বন্দনা ' মা '- কে 
সেই ভাষা জাগে পাখির শিসে...

বলো , আজও  কেনো  তবে 
বাংলা নামে যা-খুশি তা রটে
অতীত ইতিহাস অস্বীকৃত হলে
তাতে বাংলার অপমান ঘটে। 

বাংলা-বাঙালির অনাহুত আঘাত 
এ দেশ ও জাতির  বড় বিস্ময়
 কথায়-কথায় আক্রমণ হানা
বোঝা যায় ইঙ্গিত ভালো নয়।

আমি বাংলা মাথা উঁচু 
কেন?অপমান হবে জমা !
অনুতাপ বুঝে শুধরে যাও 
বিবেক ক'রে দেবে ক্ষমা। 

যদি যত্রতত্র এমনই আবারও 
হয়  মিথ্যা অভিযোগ জমা 
দয়াপরবশ ক্ষমা করে বাঙালি
বিশ্ব স্বীকৃত বাঙালির দয়া-ক্ষমা।

মহানায়ক


মহানায়ক
কলমে দেবরাজ সাহা


বড়ো পর্দায় নক্ষত্র যে, নাম তার উত্তম কুমার,
চোখের চাউনিতে ভালোবাসা, হাসিতে রোদ্দুর-ধার।
ছবির ফ্রেমে স্বপ্ন গাঁথা, সংলাপে কাব্য ঝরে,
বাংলা ছবির গানে গানে, হৃদয় আজও ভরে।

সুট-কোটে ছিল রাজকীয়, ধুতি-পাঞ্জাবিতেও মান,
ভাষায় ছিল শুদ্ধ উচ্চারণ, অভিনয়ে ছায়া প্রাণ।
সুচিত্রার পাশে নায়ক যেন, ছায়াসঙ্গী জীবনের,
"সবার উপরে" যিনি থাকেন, আজও তিনি হৃদয়ঘরের।

সুচিত্রার পাশে ধরা পড়ে প্রেম, যেন মেঘের পাশে চাঁদের হাসি,
উত্তম ছিলেন না শুধু প্রেমিক, ছিলেন বাংলা ছবির স্বপ্নবাঁশি।
প্রতিটি দৃশ্য, প্রতিটি শব্দ, হয়ে উঠত অনুভবের ধ্বনি,
তাঁর মুখে “ভালোবাসি” মানে, অশ্রুর মতো চিরজীবন্ত বাণী।

স্বপ্নের রাজ্য গড়ে তুলেছিলেন, সিনেমার মোহময় দ্বীপে,
প্রতিটি ফ্রেমে লিখে গেছেন, জীবনের আর্তি নিঃশব্দ নীড়ে।
নীরব চোখে নক্ষত্রহাসি, কথায় যেন কবিতা বাজে,
উত্তম নাম, স্বপ্নের মঞ্চে, যুগের মণি, আলোয় সাজে।

আজ তিনি নেই—তবু আছেন, আজও বুকে বাজে সেই গান,
"এই পথ যদি না শেষ হয়", চলেই যায় তাঁরই টানে প্রাণ।
নায়ক নয়, মহানায়ক—বাংলার হৃদয়ে রাজাধিরাজ,
উত্তম কুমার, চিরস্মরণীয়, এক বিস্ময়, এক শুভ সাজ।









সম্পর্ক

 

সম্পর্ক
দেবরাজ সাহা

তুমি বাতাস,
আমি পাতা।
তুমি না থাকলে,
আমি নড়ব না।

তবু কখনো,
তুমি দেখতে পাও না,
আমি কোথায় আছি।

নীরবে ঝরে পড়ি...
তোমারই খোঁজে।