Featured post
বর্ষা -বিষাদ
নিবিড় মেঘের নীলিমাতে কার বিষাদের স্বাক্ষর, বৃষ্টিধারা পড়ে যেন নীরবতারই অক্ষর। সাঁঝের আলো ধূপের ধোঁয়ায় জড়ায় ক্লান্ত বেলা, অভিমানের অ...
বর্ষা -বিষাদ
লহ প্রণাম
বাবা
জামাইষষ্ঠী
শুধু তুই
অন্নহারা
রেলের জমি রেলেরই হোক— ন্যায়ের এ উচ্চারণ,
তবু কেন পথে বসে কাঁদে অসহায় জনগণ?
স্টেশনের ওই কোলাহলে, ধোঁয়া-মাখা ভোরে,
কত মানুষের দিন গড়াত ক্ষুদ্র দোকান ঘিরে।
চায়ের কাপে, মুড়ির ঠোঙায়, সংসারেরই গান,
সন্ধ্যাবেলায় ফিরত ঘরে একমুঠো সম্মান।
আজকে সেখানে ধুলোর নাচন, ইটের স্তূপের সারি,
ভাঙা টিনের ফাঁক দিয়ে চায় বিষণ্ন চোখ দু'খানি।
আইন তারই কর্তব্যপথে অটল অবিচল,
কিন্তু ক্ষুধার আর্তনাদও কি মিথ্যে কোলাহল?
রাষ্ট্র যদি হয় বিধির রক্ষক, জনতারও ত্রাতা,
শুধু উচ্ছেদ নয়, তার আগে চাই মানবতার কথা।
শৃঙ্খলা ফিরুক, শান্তি আসুক, থাকুক বিধির মান,
তবু যেন না পথে নামে অসহায় পরিবারখান।
ধুলো-ওড়া সেই বিকেলবেলা প্রশ্ন রেখে যায়,
উন্নয়নের রথের চাকার নিচে কারা হারিয়ে যায়?
মানুষ যেন মানুষের পাশে দাঁড়ায় সবসময়,
ন্যায়ের সাথে মানবতারও হোক সমান জয়।
মোহভঙ্গ
সংগ্ৰাম
আমি বাংলা
মহানায়ক
কলমে দেবরাজ সাহা
বড়ো পর্দায় নক্ষত্র যে, নাম তার উত্তম কুমার,
চোখের চাউনিতে ভালোবাসা, হাসিতে রোদ্দুর-ধার।
ছবির ফ্রেমে স্বপ্ন গাঁথা, সংলাপে কাব্য ঝরে,
বাংলা ছবির গানে গানে, হৃদয় আজও ভরে।
সুট-কোটে ছিল রাজকীয়, ধুতি-পাঞ্জাবিতেও মান,
ভাষায় ছিল শুদ্ধ উচ্চারণ, অভিনয়ে ছায়া প্রাণ।
সুচিত্রার পাশে নায়ক যেন, ছায়াসঙ্গী জীবনের,
"সবার উপরে" যিনি থাকেন, আজও তিনি হৃদয়ঘরের।
সুচিত্রার পাশে ধরা পড়ে প্রেম, যেন মেঘের পাশে চাঁদের হাসি,
উত্তম ছিলেন না শুধু প্রেমিক, ছিলেন বাংলা ছবির স্বপ্নবাঁশি।
প্রতিটি দৃশ্য, প্রতিটি শব্দ, হয়ে উঠত অনুভবের ধ্বনি,
তাঁর মুখে “ভালোবাসি” মানে, অশ্রুর মতো চিরজীবন্ত বাণী।
স্বপ্নের রাজ্য গড়ে তুলেছিলেন, সিনেমার মোহময় দ্বীপে,
প্রতিটি ফ্রেমে লিখে গেছেন, জীবনের আর্তি নিঃশব্দ নীড়ে।
নীরব চোখে নক্ষত্রহাসি, কথায় যেন কবিতা বাজে,
উত্তম নাম, স্বপ্নের মঞ্চে, যুগের মণি, আলোয় সাজে।
আজ তিনি নেই—তবু আছেন, আজও বুকে বাজে সেই গান,
"এই পথ যদি না শেষ হয়", চলেই যায় তাঁরই টানে প্রাণ।
নায়ক নয়, মহানায়ক—বাংলার হৃদয়ে রাজাধিরাজ,
উত্তম কুমার, চিরস্মরণীয়, এক বিস্ময়, এক শুভ সাজ।