জামাইষষ্ঠী এল বলে সাজল শ্বশুরবাড়ি,
শাশুড়িমা ভোর থেকেই রাঁধেন নানান তরকারি।
নতুন ধুতি পরে জামাই এলেন হেসে ধীরে,
উলুধ্বনি আর শঙ্খ বাজে আনন্দভরা নীড়ে।
দই-চিঁড়ে আর মিষ্টি দিয়ে হলো শুভ বরণ,
আশীর্বাদের স্নেহ ছোঁয়ায় ভরে উঠল জামাইয়ের মন।
লুচি, পোলাও, ইলিশ, চিংড়ি, সাজল ভোজের থালা,
শাশুড়িমা বলেন হেসে, “খাও গো জামাই, বাবা!”
জামাই বলে, “আর যে পারি না, ভরল আমার পেটটা”,
শাশুড়ি কয়, “ বছরে তো একদিনই জামাইষষ্ঠীটা!”
শ্বশুরমশাই মুচকি হেসে বাড়িয়ে দিলেন পান,
জামাইবাবুর মুখের কোণে ফুটল সুখের গান।
আদর-যত্ন, হাসি-ঠাট্টায় কেটে গেল বেলাটা,
মনে মনে ভাবেন জামাই—“বাহ্! কী সুখের দিনটা!”
জামাই তখন মুচকি হেসে বললেন মনে মনে—
“জামাইষষ্ঠী বছরে একদিন, বাকি দিন তো গৃহকোণে!”
জামাইষষ্ঠী তাই যে ভাই, বড়ই মধুর দিন,
একদিনের রাজা সেজে জামাই, খুশি থাকে এইদিন।
আদর-যত্ন, মজা-ঠাট্টা, সব উৎসবই বারবার
বছরের এই একটি দিনে জামাইষষ্ঠী কিন্তু একবার।
No comments:
Post a Comment